Positive বার্তা (বাংলা)

A teamwork initiative of Enthusiastic people using Social Media Platforms

Home ব্লগ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়: টলিউডের ‘ইন্ডাস্ট্রি’ থেকে পদ্ম সম্মানের শিখরে

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়: টলিউডের ‘ইন্ডাস্ট্রি’ থেকে পদ্ম সম্মানের শিখরে

0
The pride of Indian cinema | Padma Shri awardee Prasenjit Chattopadhyay
The pride of Indian cinema | Padma Shri awardee Prasenjit Chattopadhyay

The pride of Indian cinema: বাংলা চলচ্চিত্রের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। ভারত সরকার তাঁকে পদ্ম সম্মানে ভূষিত করে তাঁর শিল্পসত্তা ও চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্রসেনজিৎ জানান, জয়া রসগোল্লা ভীষণ ভালোবাসে। সুযোগ পেলেই খায়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, তাঁর শরীরে এক ফোঁটা ফ্যাট জমে না। যেন প্রকৃতি তাঁকে আলাদা করে গড়ে তুলেছে।

হাসতে হাসতে প্রসেনজিৎ বলেন, “আমি তো একদিন ওকে বলেই ফেললাম, তুই তো আসন করিস না, এক্সারসাইজ করিস না” জয়া বলেন, “আমার কিছু হয় না।” এই আত্মবিশ্বাসী জবাব শুনে আরও অবাক হয়ে যান প্রসেনজিৎ।

এক দীর্ঘ ও বর্ণিল যাত্রাপথ

১৯৮০-র দশকের শুরুতে যখন বাংলা বাণিজ্যিক ছবি এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তাঁর অভিনীত ‘অমর সঙ্গী’ (১৯৮৭) ছবিটির আকাশছোঁয়া সাফল্য তাঁকে রাতারাতি সুপারস্টারে পরিণত করে। তবে তিনি কেবল বাণিজ্যিক ছবির ‘হিরো’ হয়েই থেমে থাকেননি।

বাণিজ্যিক ধারা থেকে আর্ট হাউস সিনেমা

প্রসেনজিৎ নিজেকে বারবার ভেঙেছেন। ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘উনিশে এপ্রিল’, ‘চোখের বালি’, কিংবা ‘দোসর’-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় দক্ষতা সমালোচকদের অবাক করে দিয়েছিল। বাণিজ্যিক ধারার ‘বুম্বাদা’ থেকে সৃজনশীল ছবির ‘প্রসেনজিৎ’ হয়ে ওঠার এই রূপান্তর ছিল অভাবনীয়।

উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ

তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য কালজয়ী চরিত্রে অভিনয় করেছেন:

অটোগ্রাফ: এই ছবির মাধ্যমে তিনি আধুনিক বাংলা সিনেমার নতুন যুগের সূচনা করেন।

মনের মানুষ: লালন ফকিরের চরিত্রে তাঁর অভিনয় আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসিত হয়।

জাতিস্মর ও গুমনামী: ঐতিহাসিক ও রহস্যঘেরা চরিত্রে তাঁর নিখুঁত অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম: সাম্প্রতিক সময়ে ‘জুবিলি’-র মতো ওয়েব সিরিজে তাঁর অভিনয় প্রমাণ করেছে যে মাধ্যম বদলালেও তাঁর তেজ কমেনি।

কেন এই সম্মান বিশেষ?

পদ্ম সম্মান সাধারণত সেই সমস্ত ব্যক্তিত্বদের দেওয়া হয় যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় গত ৪০ বছর ধরে বাংলা সিনেমার হাল ধরে রেখেছেন। নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের কাছে তিনি একাধারে মেন্টর এবং অনুপ্রেরণা। তাঁর এই সম্মান প্রাপ্তি পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক মহলে এক আনন্দের জোয়ার নিয়ে এসেছে।

উপসংহার

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রায়ই বলেন, “আমি সিনেমা খাই, সিনেমা শুই, সিনেমা পরি।” এই নিবেদনই আজ তাঁকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। পদ্ম সম্মানে ভূষিত হওয়া তাঁর ব্যক্তিগত জয় হলেও, এটি সামগ্রিকভাবে বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য এক বিরাট গৌরব।

আরও পড়ুন: ভারতীয় সেনা দিবস ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ইতিহাস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here