Durgapur Barrage:পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে এবার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে স্থান পেতে চলেছে দুর্গাপুর ব্যারেজ। দুর্গাপুর ব্যারেজ এবং তার সংলগ্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে এক বিশাল পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য পর্যটন দপ্তর।
বর্তমানে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের অন্যতম মূল আকর্ষণ হলো ওয়াটার স্পোর্টস। সারফিং, ওয়াটার পোলো, ওয়াটার বাস্কেটবলের মতো রোমাঞ্চকর জলক্রীড়ার সুবিধা দুর্গাপুর ব্যারেজে শুরু করা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে রাজ্য পর্যটন দপ্তর থেকে পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পোন্নমবলম এস. কে.-র কাছে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনার প্রধান দিকসমূহ:
আধুনিক ওয়াটার স্পোর্টস: ব্যারেজের জলাধারকে কেন্দ্র করে সারফিং, ওয়াটার পোলোসহ একাধিক নতুন যুগের জলক্রীড়ার আয়োজন।
ইকো ট্যুরিজম ও কটেজ: ব্যারেজের চারপাশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে পর্যটকদের রাত্রিবাসের জন্য মনোরম ইকো-কটেজ নির্মাণ।
বীরভানপুর ক্যানেল প্রকল্প: স্থানীয় বীরভানপুরের ক্যানেলটিকে একটি বিশালাকার ওয়াটার রিজার্ভারে রূপ দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এর ফলে পর্যটনের প্রসারের পাশাপাশি দুর্গাপুরবাসীর জন্য এটি একটি বিকল্প জলের উৎস হিসেবেও কাজ করবে।
হেরিটেজ ট্যুরিজম: দুর্গাপুরের ঐতিহাসিক ও প্রাচীন রাঢেশ্বর শিব মন্দিরের সার্বিক উন্নয়ন ঘটিয়ে একে হেরিটেজ ইকো ট্যুরিজম সার্কিটের অন্তর্ভুক্ত করা।
উদ্যোগের নেপথ্যে ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা:
স্থানীয় উন্নয়ন ও ব্যারেজের রূপরেখা বদলে দেওয়ার এই প্রস্তাবটি প্রথম পর্যটন দপ্তরের কাছে তুলে ধরেন দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পর্যটন দপ্তর সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখে দ্রুত ডিপিআর (DPR) জমার নির্দেশ দিয়েছে।
এই বৃহৎ পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে শিল্পশহর দুর্গাপুর শুধু শিল্প বা ব্যবসার জন্য নয়, পর্যটনের ক্ষেত্রেও এক অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠবে। পাশাপাশি, ইকো-কটেজ ও ওয়াটার স্পোর্টস পরিচালনার মাধ্যমে স্থানীয় বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।





