HomeখেলাধুলাGlasgow Commonwealth Games:কমনওয়েলথ গেমসে গুলবীর সিংয়ের ঐতিহাসিক রুপো!!!কোচের নিখুঁত মাস্টারপ্ল্যানে গ্লাসগোয় ভারতের...

Glasgow Commonwealth Games:কমনওয়েলথ গেমসে গুলবীর সিংয়ের ঐতিহাসিক রুপো!!!কোচের নিখুঁত মাস্টারপ্ল্যানে গ্লাসগোয় ভারতের নতুন ইতিহাস!!!!

Glasgow Commonwealth Games:গ্লাসগো: গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের অ্যাথলেটিক্সে এক রূপোলি অধ্যায় রচনা করলেন ভারতের তারকা দূরপাল্লার দৌড়বিদ গুলবীর সিং। মঙ্গলবার মধ্যরাতে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে স্কটসটাউন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত পুরুষদের ১০,০০০ মিটার দৌড়ে অনবদ্য পারফরম্যান্স করে রুপোর পদক জয় করেছেন তিনি। কমনওয়েলথ গেমসের ইতিহাসে পুরুষদের ১০,০০০ মিটার ইভেন্টে এটিই প্রথম কোনো ভারতীয় অ্যাথলিটের পদক জয়।

রোমাঞ্চকর ২৫ ল্যাপের লড়াই

২৬ বছর বয়সী জাতীয় রেকর্ডধারী গুলবীর সিং ২৫ ল্যাপের এই অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দৌড়ে সময় নেন ২৭ মিনিট ৪৯.৭৮ সেকেন্ড।

সোনা (স্বর্ণপদক): অস্ট্রেলিয়ার কাই রবিনসন (২৭:৪৮.৯৩)

রুপো (রৌপ্যপদক): ভারতের গুলবীর সিং (২৭:৪৯.৭৮)

ব্রোঞ্জ (কাংস্যপদক): আইল অব ম্যানের ডেভিড মুলার্কি

১৯৮৬ সালের পর এই প্রথমবার কমনওয়েলথ গেমসের এই নির্দিষ্ট ইভেন্টে সেরা তিনের মধ্যে কোনো আফ্রিকান অ্যাথলিট জায়গা পাননি। গুলবীরের এই সাফল্য অ্যাথলেটিক্সপ্রেমীদের ২০২২ সালে অবিনাশ সাবলের ঐতিহাসিক পদক জয়ের স্মৃতি নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।

কোচের এক মাস্টারপ্ল্যানেই সাফল্য

এই রূপোলি সাফল্যের পেছনে মূল কারিগর ছিলেন গুলবীরের কোচ স্কট সিমন্স। কোচের স্ট্র্যাটেজি সম্পর্কে গুলবীর বলেন:

“কোচ আমাকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন, শুরু থেকেই দৌড়ের একদম সামনে থাকার চেষ্টা করার দরকার নেই। সামনে থাকা দৌড়বিদদের গতি বা পেস ধরে রাখো এবং শেষ ৪০০ মিটারে নিজের সবটুকু শক্তি উজাড় করে গতি বাড়িয়ে দাও।”

কোচের সেই নিখুঁত নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে শেষ ল্যাপে এক দুর্দান্ত ও রুদ্ধশ্বাস স্প্রিন্ট টেনে ভারতের জন্য পদক নিশ্চিত করেন গুলবীর।

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শুভেচ্ছা ও উৎসর্গ

গুলবীরের এই ঐতিহাসিক অর্জনে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন,

“গুলবীর সিং, আপনার এই চমৎকার সাফল্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন! গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে পুরুষদের ১০,০০০ মিটার দৌড়ে রুপোর পদক অর্জন করে আপনি ভারতকে এই ইভেন্টে সর্বকালের প্রথম কমনওয়েলথ গেমস পদক এনে দিয়েছেন। পুরো দেশ আপনার জন্য গর্বিত।”

ঐতিহাসিক এই জয়ের পর গুলবীর আবেগঘন কণ্ঠে পদকটি দেশের পাশাপাশি তাঁর পরিবার ও বিশেষ করে তাঁর মাকে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, “আমার মা, বাবা এবং ভাই সব সময় আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে সব কিছুর ঊর্ধ্বে এই সাফল্য আমার দেশের জন্য, কারণ যেকোনো আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমরা ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতেই মাঠে নামি।”

আরও পড়ুন:AI মানবসেবা ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন: ‘বন্ধুর বন্ধন’-এর হাত ধরে কলকাতার বুক থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল ও মানবিক সমাজের নতুন অধ্যায়!!!

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সবচেয়ে জনপ্রিয়