Ekdunia digital hospital :দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য ও আধুনিক করে তুলতে শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সূচনা হলো এক যুগান্তকারী স্বাস্থ্য উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনকে সামনে রেখে ‘ইতিবাচক বার্তা ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আত্মপ্রকাশ করল ‘একদুনিয়া ডিজিটাল হাসপাতাল’। প্রযুক্তির হাত ধরে স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই মহতী উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিদের বার্তা
প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন বিজেপি মেডিকেল সেলের প্রাক্তন জাতীয় সহ-আহ্বায়ক এবং আয়ুষ মন্ত্রকের প্রাক্তন সদস্য ডাঃ দীনেশ উপাধ্যায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন ডিএইচএস তথা হাসপাতালের উপদেষ্টা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী, ডিরেক্টর অধ্যাপক ডাঃ অশোক কুমার দত্ত, প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডাঃ প্রবীর সেনগুপ্ত, এমএসভিপি অধ্যাপক ডাঃ প্রদীপ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সিইও ডাঃ হিমাদ্রী আরি সহ বিশিষ্ট চিকিৎসক ও গবেষকবৃন্দ।
অধ্যাপক ডাঃ অশোক কুমার দত্ত বলেন, স্বাস্থ্য পরিষেবা কেবল চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দি থাকতে পারে না। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করেই প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে চিকিৎসা পরামর্শ ও স্বাস্থ্যতথ্য পৌঁছে দিতে হবে।
ডাঃ অজয় চক্রবর্তী জানান, আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সাধারণ মানুষ এখন নিজ গ্রামে বসেই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পেতে সক্ষম হবেন।
‘অন্ত্যোদয়’ এবং উন্নয়নের নতুন সংজ্ঞা
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনটিকে জনসেবার উৎসর্গ করে ডাঃ দীনেশ উপাধ্যায় তাঁর ভাষণে দেশের একতা ও অগ্রগতির ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, “দেশ সবার আগে। দেশের উন্নতি, একাত্মতা ও ঐক্য সবার আগে। উন্নয়নের সুফল সমাজের শেষ প্রান্তের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।”
তাঁর মতে, প্রকৃত উন্নয়ন কেবল পরিকাঠামো বা অর্থনৈতিক সূচকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; যখন সাধারণ মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক অধিকারগুলি সহজে পান, তখনই সেই উন্নয়ন সার্থক হয়ে ওঠে। তিনি ‘অন্ত্যোদয়’-এর ভাবনার ওপর ভিত্তি করে সমাজের শেষ সারির মানুষের জীবনে আশার আলো জ্বালানোর আহ্বান জানান।
‘একদুনিয়া ডিজিটাল হাসপাতাল’-এর মূল বৈশিষ্ট্য
ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মটি স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক হতে চলেছে। এর প্রধান দিকগুলি হলো:
ডিজিটাল চিকিৎসা-সহায়তা: অনলাইনের মাধ্যমে সহজে চিকিৎসকদের পরামর্শ লাভ।
স্বাস্থ্যতথ্য ও যোগাযোগ: হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম।
পরীক্ষা ও ওষুধ সহায়তা: রোগ নির্ণয় এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সংক্রান্ত গাইডেন্স।
জরুরিকালীন দিশা: সংকটজনক মুহূর্তে সঠিক স্বাস্থ্য নির্দেশিকা প্রদান।
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিবসকে কেন্দ্র করে এই ধরনের জনকল্যাণমূলক স্বাস্থ্য উদ্যোগ বোলপুর তথা শান্তিনিকেতন অঞ্চলের স্বাস্থ্য মানচিত্রে এক নতুন ইতিবাচক অধ্যায়ের সূচনা করল বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
আরও পড়ুন :Marua plant: मच्छਰ भगाने और सेहत का एक अचूक प्राकृतिक उपाय!!!








