Positive বার্তা (বাংলা)

A teamwork initiative of Enthusiastic people using Social Media Platforms

Homeব্লগগিনিস ও লিমকা বুকে পলক মুচ্ছলের নাম: যে মহৎ কাজের জন্য এই...

গিনিস ও লিমকা বুকে পলক মুচ্ছলের নাম: যে মহৎ কাজের জন্য এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

Palak Muchhal: বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা পলক মুচ্ছল শুধুমাত্র একজন অসাধারণ শিল্পী হিসেবেই নন, একজন মানবসেবী হিসেবেও সুপরিচিত। সুরের মূর্ছনায় তিনি যেমন কোটি মানুষের মন জয় করেছেন, ঠিক তেমনি নিজের মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে বহু অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। সম্প্রতি এই মহৎ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি স্থান করে নিয়েছেন গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এবং লিমকা বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর পাতায়।

কোন বিশেষ কারণে এই প্রাপ্তি?

এই বিশেষ প্রাপ্তির কারণটি হলো পলক মুচ্ছলের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা— পলক পলাশ চেরিটেবল ফাউন্ডেশন-এর অবিশ্বাস্য কর্মকাণ্ড। এই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এখনও পর্যন্ত প্রায় তিন হাজারের বেশি দূঃস্থ শিশুর হার্ট সার্জারি করা সম্ভব হয়েছে। যদি বিদেশ পরিগণনা করা হয়, তবে এই সংখ্যাটি গিয়ে দাঁড়ায় ৩,৮০০। খুব স্বাভাবিকভাবেই শিশুদের জীবন বাঁচানোর এই বিশাল বড় কর্মকাণ্ডের জন্যই গায়িকা পলক মুচ্ছলের নাম ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী হলো।

দীর্ঘদিনের প্রতিজ্ঞা ও মহানুভবতার পথ

পলক মুচ্ছলের এই মানবদরদী পদক্ষেপ একদিনে নেওয়া নয়। খুব ছোটবেলা থেকেই অসহায় শিশুদের দেখে তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি তাদের পাশে দাঁড়াবেন যাদের কেউ নেই। মাত্র ৭ বছর বয়সে কার্গিল যুদ্ধে আহত জওয়ানদের পাশে দাঁড়াতে রাস্তায় গান গেয়েছিলেন তিনি এবং উপার্জিত ২৫ হাজার টাকা দান করেছিলেন তাদের সেবার কাজে।

পরবর্তী সময়ে এক স্কুল পড়ুয়ার হার্ট সার্জারির জন্য ৫১ হাজার টাকা দান করার পর থেকেই তিনি নিজস্ব ফাউন্ডেশন শুরু করার পরিকল্পনা করেন। এরপর থেকে তিনি নিজের উপার্জিত প্রায় গোটা টাকাটাই উজাড় করে দেন অসহায় মানুষের সেবার কাজে। এই নিঃস্বার্থ ত্যাগের ফলেই আজ তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন। এটিই প্রথম কোনও বলিউড গায়িকার এমন মহান কাজের জন্য গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম ওঠার নজির।

পলকের জীবন দর্শন

গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নিয়ে পলক বর্তমানে কিছু না বললেও, অতীতে তিনি নিজের কর্মকাণ্ড নিয়ে জানিয়েছিলেন, মানুষের সেবা করাই তাঁর জীবনের অন্যতম উদ্দেশ্য। তিনি মনে করেন, যে সমস্ত শিশুদের চিকিৎসার খরচ বাবা-মায়েরা বহন করতে পারেন না, তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই তাঁর এই ফাউন্ডেশন তৈরি। তিনি বলেছেন, “আমি যদি একটি মানুষের মুখেও হাসি ফোটাতে পারি তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করব।”

পলক মুচ্ছল প্রমাণ করলেন যে, একজন শিল্পী তাঁর শিল্প এবং উপার্জনের মাধ্যমে কীভাবে সমাজের এক বিরাট পরিবর্তন আনতে পারেন। তাঁর এই উদ্যোগ কেবল একটি রেকর্ড নয়, বরং বহু মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন: সাফল্যের শীর্ষে যুগ্ম প্রথম প্রীতম-আদিত্য, প্রকাশ্যে এল পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনের কড়া রুটিন

Join Our WhatsApp Group For New Update
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সবচেয়ে জনপ্রিয়