Positive বার্তা (বাংলা)

A teamwork initiative of Enthusiastic people using Social Media Platforms

Homeব্লগমেঘেদের লুকোচুরি আর কাঞ্চনজঙ্ঘার প্যানোরামা

মেঘেদের লুকোচুরি আর কাঞ্চনজঙ্ঘার প্যানোরামা

Unveiling Ahal Dara: দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে কার্শিয়াং মহকুমার মংপু-র কাছে অবস্থিত এই আহালদারা ভিউ পয়েন্ট। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই জায়গাটি মূলত একটি পাহাড়ের চূড়া। এখান থেকে যে দৃশ্য দেখা যায়, তা এক কথায় অতুলনীয়।

সূর্যোদয়ের জাদু: টাইগার হিলের ভিড় এড়াতে চাইলে আহালদারা সেরা বিকল্প। ভোরে যখন কুয়াশার চাদর সরিয়ে সূর্য উঁকি দেয়, তখন কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপালি শৃঙ্গগুলো তপ্ত কাঞ্চনের মতো জ্বলে ওঠে।

৩৬০ ডিগ্রি ভিউ: এই পাহাড়ের চূড়া থেকে একদিকে দেখা যায় বরফে ঢাকা হিমালয়, আর অন্যদিকে নীচে সর্পিল গতিতে বয়ে চলা তিস্তা নদী। দূরে দেখা যায় কালিম্পং ও সিকিমের পাহাড়ের রেখা।

কেন যাবেন আহালদারায়? (Unveiling Ahal Dara)

১. নির্জনতা: আহালদারা এখনও বাণিজ্যিক পর্যটনের থাবা থেকে মুক্ত। এখানে কোনো বড় হোটেল বা শপিং মলের কোলাহল নেই। আছে শুধু পাহাড়ের নিস্তব্ধতা আর পাখির ডাক। ২. সিংকোনার বাগান: মংপু মানেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত সিংকোনার বাগান। আহালদারা যাওয়ার পথে আপনি উপভোগ করতে পারবেন মাইলের পর মাইল বিস্তৃত সিংকোনা চাষের অপূর্ব ল্যান্ডস্কেপ। ৩. হোমস্টে অভিজ্ঞতা: এখানে বিলাসবহুল হোটেলের বদলে রয়েছে সাজানো-গোছানো হোমস্টে। পাহাড়ের মানুষের আতিথেয়তা আর ঘরের রান্নার স্বাদ আপনার ভ্রমণের আনন্দ দ্বিগুণ করে দেবে।

ভ্রমণের সেরা সময়

বর্ষাকাল বাদে বছরের যেকোনো সময় আহালদারা যাওয়া যায়। তবে কাঞ্চনজঙ্ঘার পরিষ্কার আকাশ দেখতে চাইলে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এবং মার্চ থেকে মে মাস হলো শ্রেষ্ঠ সময়। শীতে এখানে মেঘেদের বদলে রোদের মিঠে পরশ পাওয়া যায়।

মেঘেদের লুকোচুরি আর কাঞ্চনজঙ্ঘার প্যানোরামা

কী কী দেখবেন আশেপাশে?

আহালদারাকে কেন্দ্র করে আপনি দেখে নিতে পারেন আরও কিছু দর্শনীয় স্থান:

নামথিং পোখরি: আহালদারার খুব কাছেই অবস্থিত এই প্রাকৃতিক লেকটি বিরল প্রজাতির হিমালয়ান স্যালাম্যান্ডারের আবাসস্থল।

মংপু রবীন্দ্র ভবন: কবিগুরু যেখানে সময় কাটিয়েছিলেন, সেই ঐতিহাসিক বাংলোটি এখন একটি সংগ্রহশালা।

যোগিঘাট: তিস্তা নদীর পাড়ে অবস্থিত এই শান্ত জায়গাটি পিকনিক বা অল্প সময় কাটানোর জন্য দারুণ।

উপসংহার: যারা যান্ত্রিক জীবন থেকে মুক্তি পেতে চান এবং পাহাড়ের আসল রূপটি অনুভব করতে চান, তাদের জন্য আহালদারা এক তূর্যনাদ। এক কাপ গরম চা হাতে নিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় বসে মেঘেদের আনাগোনা দেখার অভিজ্ঞতাই হবে আপনার জীবনের সেরা সঞ্চয়।

আরও পড়ুন: স্ট্যাগ বিটল: বনজ সম্পদের রাজকীয় পতঙ্গ, যার নাম ঘিরে ছড়িয়ে আছে কোটি টাকার গল্প ও সংস্কৃতির রহস্য

Join Our WhatsApp Group For New Update
RELATED ARTICLES

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সবচেয়ে জনপ্রিয়